মেয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছা

প্রতিটি বাবার কাছে তার মেয়ে জানো একেকটি স্বর্গ। মেয়েরা বাবার কাছে অনেক বড় একটি সম্পদ। একইভাবে প্রতিটি মেয়ের কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ হলো তার বাবা। মেয়েরা তার বাবাকে পৃথিবীর সবচেয়ে আদর্শবান মানুষ বলে মনে করে। কোথায় যেন পড়েছিলাম নাকি শুনেছিলাম সঠিক মনে নেই, প্রতিটি মেয়ে নাকি তার বাবার মত স্বামী চায়। বাবার মত বলতে এখানে তেমন বৈশিষ্ট্যের বোঝানো হয়েছে। যেমন ধরেন আদর্শের মিল থাকতে হবে এমন। প্রতিটি বাবাই নিজের সর্বস্ব দিয়ে মেয়ের সব দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে। তাই বাবাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসাটা মেয়েদের কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়।

প্রিয় পাঠকগণ, মেয়েদের জন্মদিনে বাবারা নানাভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। অনেক বাবারা মনের কথাগুলো সঠিক ভাবে প্রকাশ করতে পারে না। আমাদের আজকের লেখায় আমরা মেয়ের জন্মদিনে বাবার কেমন ভাবে শুভেচ্ছা জানাতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের লিখাটি পড়ার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে আপনার মনের কথা সম্পূর্ণ প্রকাশ করে মেয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। চলুন দেখে আসি কোন কোন উপায়ে আপনি আপনার মেয়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে পারবেন।

১. মা, আজকের এই দিনটি আমার কাছে খুবই বিশেষ একটা দিন। এই দিনে আমি প্রথম পিতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করেছিলাম। তোর মাকে বিয়ে করার বছর খানেক পরেই আমাদের কোল আলো করে তুই এসেছিলি। তখন আস্তে আস্তে বুঝতে শিখেছি জীবনটা কি। তোর মাঝেই জীবনের সব ভালো লাগা গুলো দেখতে পেয়েছিলাম। হয়তো ছোটবেলায় তোর অনেক আবদার পূরণ করতে পারিনি সামর্থ্য অভাবে, কিন্তু নিজের সর্বস্ব দিয়ে দিয়ে চেষ্টা করে গেছি সব সময় তোর মুখে হাসি দেখার জন্য। আজকের এই দিনে তোর জন্য প্রাণভরে দোয়া করি, তুই অনেক বড় হ, আমাদের মুখ উজ্জ্বল কর।
২. মেয়েরা তাদের বাবার জান্নাত, আর আমার সে জান্নাত হলি তুই। যেদিন প্রথম তোর মুখটি দেখি, সেদিন রাজ্যের সমস্ত আনন্দ আমার মুখে বিরাজ করছিল। তোকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন ছিল, তার কিছু পূরণ করতে পেরেছি, কিছু অপূর্ণ থেকে গেছে। আজ তোর জন্মদিন, দেখতে দেখতে বেশ বড় হয়ে গেছিস তুই। তোর সামনের দিনগুলো হোক আরো সুন্দর আরো প্রশান্তির। তোর দ্বারা যেন দেশ ও দশের ভালো হয় সেই প্রার্থনা করি।

৩. যখন আমার মেয়ে হলো, তখন নানা মানুষ নানা ধরনের কথা বলতো। মেয়ে নাকি পরিবারের বোঝা। মেয়ের বাবা হয়ে সেসব কথা কখনোই গ্রাহ্য করিনি আমি। কারণ আমার কাছে আমার মেয়ে সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে বড় উপহার। আজকের এই দিনে তুই আমাদের পরিবারের নতুন সদস্য হয়ে এসেছিলি। অনেক প্রতিবন্ধকতা মধ্য দিয়ে আর তুই এত বড় হয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছিস। তুই দেখিয়ে দিয়েছিস মেয়েরা কখনোই পরিবারের বোঝা নয়। আজ আমি সবার কাছে গর্ব করে বলতে পারি আমার মেয়ের কথা। সব সময় সুস্থ থেকে এভাবেই সবার সেবা করে যা এটাই শেষ চাওয়া।

৪. শুভ জন্মদিন মামনি। আমি জানি তুমি ভীষণ রাগ করে আছো আমার উপর। আমি অত্যন্ত দুঃখিত আজ এই খুশির দিনে তোমার সাথে থাকতে না পারায়। কি করবো বলো? আমার কাঁধে যে অনেক দায়িত্ব। আমি আশা করি আমার মেয়ের এতটুকু বোঝার ক্ষমতা হয়েছে। আমি যে দেশ রক্ষার দায়িত্বে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমার মা মনির কাছে এটাই সবচেয়ে বড় উপহার আমার পক্ষ থেকে। তার জন্মদিনে আমি এত বড় দায়িত্ব পালন করছি। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি আমার মত আমার মেয়েটাও যেন মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারে। ভালো থেকো মামনি।

প্রিয় পাঠকগণ, আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কিভাবে নিজের মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যেমন পরিস্থিতিতে থাকবেন সেই পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাবেন। এমনও হতে পারে আপনি অনেক দূরে আছেন খুব জরুরী কোনো কাজে। এমন অবস্থায় কিভাবে মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাবেন তা নিয়ে ওআমরা আলোচনা করেছি। এমন আরও লেখা পেতে সব সময় চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.