গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করার উপায়

আপনি যদি কোন রিলেশনশিপ কন্টিনিউ করে থাকেন তবে আজকের লেখাটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়া উচিত বলে আমি মনে করি। আজকের লেখায় আমরা আপনাকে গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করার বেশ কিছু পরামর্শ দিতে যাচ্ছি। আপনি নিশ্চয়ই আপনার গার্লফ্রেন্ডকে বিভিন্নভাবে ইমপ্রেস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন থেকে আপনার গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করার জন্য বেশি ঝামেলার মধ্যে যেতে হবে না। আমাদের পুরো পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন এবং গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করার কৌশল গুলো খুব দ্রুত আয়ত্ত করে ফেলুন।

গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করতে গেলে অনেক বেশি প্রশংসা করতে শিখতে হবে। আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডের যত বেশি প্রশংসা করবেন তত সে আপনার প্রতি দুর্বল হবে। আপনি সবসময় আপনার গার্লফ্রেন্ডের রূপের প্রশংসা করবেন। আপনার গার্লফ্রেন্ডের চুলের, ঠোঁটের, চোখের, নাকের প্রশংসা খুব বেশি বেশি করবেন। আপনি যত বেশি প্রশংসা করবেন সে ভাববে আপনি তাকে নিয়ে সবসময় ভাবেন। আপনি যে তার জন্য কতটা পাগল তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। আপনার মন থেকে প্রশংসা না আসলেও চেষ্টা করবেন আপনার গার্লফ্রেন্ডের প্রশংসা করার। প্রশংসা করতে না জানলে খুব সহজে আপনার গার্লফ্রেন্ডের মন জয় করতে পারবেন না।

গার্লফ্রেন্ডকে কখনো এমন কিছু বলবেন না যাতে সে কষ্ট পায়। মেয়েরা কষ্টের কথাগুলো অনেকদিন পর্যন্ত মনে রাখে এবং এসব কারণে আপনার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতেও পারে। তাই চেষ্টা করবেন আপনার গার্লফ্রেন্ডের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা না বলার। অপ্রাসঙ্গিক কোন কথা তুলবেন না। সব সময় তার প্রশংসা করে যাবেন আর খুব সুন্দরভাবে কথা বলার চেষ্টা করবেন।

আপনার গার্লফ্রেন্ড যদি আপনাকে খুব বেশি চেহারা যায় তবে মুখ বুজে সহ্য করার চেষ্টা করবেন। গার্লফ্রেন্ডের কোন কার্যকলাপ নিয়ে কখনো অভিযোগ করার চেষ্টা করবেন না। আপনি যদি আপনার গার্লফ্রেন্ডের কোন বিষয় নিয়ে অভিযোগ করেন তবে সে আপনাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করবে। মেয়েদের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল অনেক বড় একটি হাতিয়ার। আপনি সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার গার্লফ্রেন্ড যেন আপনাকে কোন ভাবে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করতে না পারে। সব সময় তার কাছে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করবেন। এমন কোন কাজ করবেন না যাতে আপনার গার্লফ্রেন্ড আপনার উপর অনেক রেগে যায়।

আপনার গার্লফ্রেন্ডের ভালো সময় খারাপ সময় সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। যদি সে অসুস্থ থাকে বারবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিবেন এবং ঠিকমতো খাবার ও ওষুধ খাবার কথা মনে করিয়ে দেবেন। সারাদিনে সে কখন কি খাচ্ছে না খাচ্ছে এবং কি করছে না করছে তা নিয়মিতভাবে খোঁজ নিতে থাকবেন। মেয়েরা ছেলেদের যত্ন চায়। চেষ্টা করবেন তার প্রতি আপনার যত্নে যেন কোন কমতি না থাকে। সম্পর্ক গভীর করতে যত্নবান প্রেমিক হওয়া খুবই দরকার।

আপনার গার্লফ্রেন্ডকে হঠাৎ করেই সারপ্রাইজ দিয়ে দেবেন। রাতে চেষ্টা করবেন হঠাৎ করেই তার বাড়ীর সামনে চলে যাওয়ার। মাঝেমধ্যে চেষ্টা করবেন তার পছন্দের কোনো উপহার তার কাছে পাঠিয়ে দিতে। মেয়েরা এই ব্যপারগুলো অনেক পছন্দ করে।

আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন তবে এই ব্যস্ততার মাঝেও চেষ্টা করবেন তার খোঁজ খবর নিতে। আপনার ব্যস্ততার মধ্যে তার খোঁজখবর নিলে সে বুঝতে পারবে আপনি তাকে কতটা গুরুত্ব দেন। এই কথাগুলো যখন তার মাথায় আসবে তখন সে আপনার প্রতি অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আপনাকে ছাড়া একটি মুহূর্তও কাটাতে চাইবে না।

আপনার গার্লফ্রেন্ডের পড়াশোনা অথবা অন্য কোন ভালো কাজে সব সময় উৎসাহ দেবেন। তার পাশে থেকে তাকে সফল হতে সাহায্য করে যাবেন। তার অসময়ের পাশে থাকলে সে সারা জীবন আপনাকে মনে রাখবে। আশা করি আপনার সম্পর্ক আরো গভীর হবে এবং স্ট্রং হবে। আমাদের পরের পোস্টগুলোতে আরো অনেক টিপস আপনারা পেয়ে যাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.