আরবি মাসের নাম – আরবি ১২ মাসের নাম অর্থসহ – ইসলামিক বারো মাসের নাম জেনে নিন।

আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আরবি 12 মাসের নাম অর্থসহ জেনে নিতে পারবেন। যারা মুসলিম ধর্মের অনুসারী এবং ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করার পরেও আরবি 12 মাসের নাম জানেন না তাদের জন্য এটি খুবই লজ্জাজনক ব্যাপার। তবে আপনি যেহেতু এই নাম জানেন না সেহেতু আপনাকে নাম জেনে নিতে হবে। কারণ আরবি প্রত্যেকটি মাসের বিভিন্ন ফজিলতপূর্ণ ইবাদত রয়েছে এবং ইবাদতের মাধ্যমে একজন মুসলিম রাসূলের দেখানো পথে চলাচল করতে পারে।

তাই আজকে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা আরবি 12 মাসের নাম জেনে নেবেন এবং এই 12 মাসের নাম অর্থসহ জেনে নিলে আপনাদের বাস্তবিক জীবনে তার প্রয়োগ করতে পারবেন। নিচে আপনাদের সুবিধার জন্য ইসলামিক 12 মাসের নাম দিয়ে দেওয়া হল এবং এই বার মাসের নাম আপনারা আপনাদের সন্তানদের কি অবশ্যই মুখস্ত করাবেন।

সাধারণতঃ প্রত্যেকটি শিশু তাদের শিক্ষাবর্ষ ইংরেজি সাল অনুযায়ী পালন করে থাকে বলে ইংরেজি মাসের নাম এবং বাংলা মাসের নাম ও তাদের অনেকেরই মুখস্ত থাকে। কিন্তু একজন মুসলিম ঘরের সন্তান হিসেবে একজন মানুষের উচিত অবশ্যই আরবি 12 মাসের নাম জেনে রাখা। যদিও আমরা রমজান মাসের কথা শুধু মনে রাখি তারপরও আমাদের উচিত হবে রমজানের পূর্ববর্তী মাস এবং পরবর্তী মাসের সম্পর্কে ধারণা রাখা।

একজন স্বশিক্ষিত মানুষ হিসেবে অবশ্যই সকল তথ্য জানতে হবে এবং ধর্মীয় বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখতে হবে। তাই আপনারা আজকে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আরবি 12 মাসের নাম অর্থসহ জেনে নিন এবং ইসলামীকে নাম জেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ ঘটান। ইসলামী মাস অনুযায়ী জীবনকে পরিচালিত করতে পারলে জীবন হয়ে যাবে সাফল্যময় এবং ইসলামিক মাসের ফজিলত গ্রহণ করে জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারব।

আরবি বারো মাসের নাম

আপনি কি আরবি 12 মাসের নাম জানতে আগ্রহী? তাহলে আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে আরবি 12 মাসের নাম বিস্তারিত জেনে নিন এবং বানান সহ জেনে নিন। অনেক অভিভাবক আছেন যারা শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলা এবং ইংরেজি 12 মাসের নাম মুখস্ত করার পাশাপাশি আরবি 12 মাসের নাম মুখস্ত করাতে চান। বাস্তব জীবনে প্রয়োগ এর পাশাপাশি বিভিন্ন পরীক্ষায় আরবি 12 মাসের নাম চলে আসে। তাই আপনার সন্তানকে এ সম্পর্কে অবহিত করার জন্য অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আরবি 12 মাসের নাম সংগ্রহ করবেন এবং এই নাম সংগ্রহ করার পর আপনার সন্তানকে ধীরে ধীরে মুখস্ত করানোর চেষ্টা করবেন।

আরবি 12 মাসের নাম জেনে নিলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন মাসের পর কোন মাসে আসবে। রমজান মাসের সিয়াম সাধনার কারণে আমরা রমজান মাসের তারিখ এবং পরবর্তী মাস সম্পর্কে ধারণা রাখি। পরবর্তীতে আবার আরবি মাসের নাম ঠিকই ভুলে যাই। আপনি যদি আরবি 12 মাসের নাম মনে রাখতে পারেন তাহলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মা সম্পর্কে ধারণা রাখতে পারবেন। আমরা ছোটবেলায় যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যবই আমাদের হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আত্মজীবনী থেকে তাঁর জন্ম তারিখ এবং মৃত্যু তারিখ জানতে পেরেছি।

আমাদের জীবনে যেমন আনন্দ তেমনি ভাবে শোকের। তাছাড়া প্রত্যেকটি আরবি মাসের কমবেশি বিভিন্ন ফজিলতপূর্ণ ইবাদত রয়েছে যা আমরা মাসের নাম জেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে এবং তারিখে জেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে পালন করতে পারি। তাছাড়া আরবি বারো মাসের বারো চাঁদের ফজিলত আমাদের যদি জানতে পারে তখন আমাদের জন্য এবাদত করার ক্ষেত্রে খুবই সুবিধা হয়। আপনাদের সুবিধার জন্য আরবি 12 মাসের নাম এখানে দিয়ে দেওয়া হল। আরবি 12 মাসের নাম হল:-মহররম, সফর, রবিউল আউয়াল, রবিউস সানি, জমাদিউল আওয়াল, জমাদিউস সানি, রজব, শাবান, রমজান, শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ।

এই বার মাসের নাম আপনারা যখন এখান থেকে জেনে নিতে পারলাম তখন আপনাদের জন্য নাম মনে রাখা খুব সহজ হবে এবং এখান থেকে আপনারা কপি করে নিয়ে যেকোন জায়গায় সংগ্রহ করতে পারবেন। তাই একজন মুসলিম হিসেবে এবং সঠিকভাবে ইবাদত পালন করার উদ্দেশ্যে আমাদেরকে 12 মাস সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে এবং কোন মাসের পরে কোন মাসে আসবে বা কোন মাস অতিবাহিত হয়েছে সে সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

আরবি মাসের নামের আরবি উচ্চারণ

উপরের দেখানো বাংলা নাম অনুসারে আমরা বাংলা উচ্চারণ জানলেও অনেকেই আরবি উচ্চারণ জানতে চান। আপনাদের সুবিধার জন্য বাংলা বারো মাসের নামের সঙ্গে আমাদের এখানে বাংলা নাম প্রদানের পাশাপাশি আরবিতে সেই নাম প্রদান করছি। আপনারা যখন আরবিতে উচ্চারণ সহ ইসলামিক 12 মাসের নাম জানতে পারবেন তখন আপনাদের জন্য উচ্চারণে অনেক সুবিধা হবে।

কারণ কিছু কিছু আরবি বর্ণ রয়েছে যেগুলো অনেক মানুষ অন্যভাবে উচ্চারণ করেন এবং তাদের সুবিধা অনুযায়ী নিজেদের উচ্চারণে তা করতে পারবেন। তাই আরবিতে 12 মাসের নাম উচ্চারণ দিয়ে দেওয়া হল এবং আপনারা আপনাদের সুবিধার মততা উচ্চারণ করে নিন। আপনি যখন আরবিতে 12 মাসের নাম উচ্চারণ করবেন তখন আপনার মনে এক ধরনের প্রশান্তি সৃষ্টি হবে।

আমরা যখন কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করি বা পাঠ করি তখন প্রত্যেকটি হরফের বিনিময়ে যেমন সওয়াব অর্জন করতে পারে তেমনি ভাবে পাঠ করার মধ্য দিয়ে আমাদের অন্তরের এক প্রশান্তির ছায়া নেমে আসে। তাই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা আরবি 12 মাসের নাম আরবি উচ্চারণ ভালোমতো দেখে নিন এবং সেই অনুযায়ী উচ্চারণ করুন।

অর্থসহ আরবি মাসের নাম

আপনি যদি অর্থসহ আরবি মাসের নাম জানতে পারেন তাহলে সেটা আপনার জন্য অনেক ভালো হবে। কারণ প্রত্যেক টিনা নামের অর্থ রয়েছে এবং আরবি শব্দের অর্থ আপনারা যদি বাংলা জানতে পারেন তখন আপনার মনে এক ধরনের প্রশান্তি সৃষ্টি হবে এবং আনন্দের সৃষ্টি হবে। কারণ আপনি আরবি বারো মাসের নামের অর্থ জানেন এবং সেই অর্থ অনুযায়ী যখন বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন তখন বিভিন্ন ইতিহাস অথবা বিভিন্ন ঘটনা চলে আসবে। তাই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা প্রাথমিকভাবে অর্থসহ আরবি মাসের নাম জেনে নিন এবং এই জেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে অন্যান্য বন্ধুদের কে জানানো সুবিধার্থে তাদের মাঝে শেয়ার করুন।

কিভাবে আপনার সন্তানকে নামগুলো মুখস্ত করাবেন

আমরা এমন অনেক অভিভাবক রয়েছে যারা সন্তানদের একদিনে সকল বিষয়ে উস্তাদ বানাতে চাই। যেহেতু অনেক মানুষ অনেক বয়স হওয়া পর্যন্ত আরবি 12 মাস ব্যবহার করে না বলে বা এই মাসগুলোর আমাদের জীবনে সরাসরি প্রয়োগ করে না বলে ভুলে যাই, যেহেতু সন্তানদের একদিনে তা মুখস্ত করার জন্য চেষ্টা করার দরকার নেই। তাদেরকে যেকোনো বিষয় ধীরে ধীরে সেখানে তারা অনেকদিন মনে রাখতে পারে।

সন্তানের সঙ্গে সঙ্গে আপনি যদি তাকে বলার অভ্যাস গড়ে তোলেন অথবা আপনি যদি প্রত্যেক মাসে আপনার সন্তানকে আরবি 12 মাসের নাম বলে দেন তাহলে সে শুনতে শুনতে একসময় মনে রেখে। এখন কোন মাস চলছে তা যদি থাকে বলেন তাহলে সেটা মনে রাখবে এবং মাস চলাকালীন সময় অবশ্যই আপনারা সেই নাম তাকে বারবার জিজ্ঞাসা করবেন। এভাবে পরবর্তীমাস আপনারা তাদেরকে মুখস্থ করাবেন।

আর যদি তার পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সহ বিভিন্ন ঘটনার জন্য মুখস্ত করাতে চান তাহলে খাতায় লিখে অথবা প্রত্যেকদিন দুই থেকে তিনটি নাম মুখস্ত করাতে পারেন। শিশুর আরবি 12 মাসের নাম মুখস্ত করাতে হবে খেলার ছলে এবং সে যেন মাথায় অধিক চাপ না নিয়ে এই মাসের নাম গুলো মুখস্ত করে সেটি খেয়াল রাখতে হবে।

কোন উৎসব বা ইবাদত কোন মাসে পালিত হয়

আরবি মাসে কোন উৎসব বা ইবাদত কোন মাসে পালিত হয় তা আমরা অনেকেই জানতে চাই এবং সেই অনুযায়ী অনুষ্ঠান পালন করতে আগ্রহী হয়ে থাকি। আপনারা যারা রজব মাসের 27 তারিখে শবে মেরাজ পালন করতে চান তারা পালন করতে পারেন। শাবান মাসের 15 তারিখে আপনারা শবে বরাত পালন করতে পারেন। আবার এভাবে পরবর্তী 15 দিন পরে রমজান মাসের 1 তারিখ থেকে শেষ তারিখ পর্যন্ত মাহে রমজান পালন করবেন এবং রমজান মাসে শেষ হওয়ার পরের দিন অর্থাৎ শাওয়াল মাসের 1 তারিখে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবেন।

এভাবে আপনারা জিলহজ মাসের 9 তারিখে হজ পালন করতে পারবেন এবং জিলহজ্ব মাসের 10 তারিখে ঈদুল আযহার পালন করার জন্য নির্ধারিত দিন। মহররমের দশ তারিখে আপনারা আশুরা পালন করতে পারেন। তাছাড়া আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর মৃত্যু দিবস এবং জন্ম দিবস উপলক্ষে রবিউল আওয়াল মাসের 12 তারিখে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করবেন। আশা করি, এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করতে পেরেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.